Tuesday, December 29, 2020

Not just for kids, milk is good for adults too

 Not just for kids, milk is good for adults too

আমরা যখন এই পৃথিবীতে জন্মগ্রহণ করি তখন দুধই আমরা প্রথম খাবার গ্রহণ করি, বেশিরভাগই আমাদের মায়ের অতি পুষ্টিকর এবং সুরক্ষামূলক বুকের দুধের আকারে।


বাচ্চাদের হিসাবে, আমাদের প্রায়শই আমাদের দুধ পান করতে বলা হয় - সাধারণত শক্ত কাগজ থেকে গরুর দুধ - শক্ত এবং স্বাস্থ্যকর হাড় থাকে

তবে আমাদের বয়স বাড়ার সাথে সাথে আমরা এই পুষ্টিকর পানীয়টি পান বন্ধ করতে পারি কারণ সম্ভবত আমরা এটি শৈশবের সাথে খুব বেশি সংযুক্ত করেছি এবং কফি এবং চায়ের মতো আরও "বয়োবৃদ্ধ" পানীয়তে যেতে চাই।
এখানে, ব্যক্তিগত প্রশিক্ষক এবং পুষ্টি কোচ জোয়ান্না সোহ আমাদের ডায়েট খাওয়ার ক্ষেত্রে দুধের গুরুত্ব ভাগ করে নেন। দুধ পান করা কেন গুরুত্বপূর্ণ?
এটি আমাদের ভিটামিন এবং খনিজগুলির সাথেও বোঝা থাকে যা আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য প্রয়োজনীয়, যেমন ভিটামিন ডি, ফসফরাস, আরও শক্তির জন্য বি ভিটামিন এবং শক্তিশালী প্রতিরোধ ব্যবস্থা এবং স্বাস্থ্যকর ত্বকের জন্য ভিটামিন এ।
বিশেষত আমাদের হাড়ের স্বাস্থ্যের উন্নতিতে দুধ বিভিন্ন ধরণের স্বাস্থ্য সুবিধা দেয় কারণ এটি ক্যালসিয়ামের একটি সমৃদ্ধ উত্স সরবরাহ করে।
একজন ব্যক্তির প্রতিদিনের ভিত্তিতে কতটা দুধ খাওয়া উচিত সে সম্পর্কে কোনও কঠোর এবং দ্রুত নিয়ম নেই, তবে সচেতন থাকবেন যে খুব বেশি কোনও কিছুর পরামর্শ দেওয়া উচিত নয়।
এই সুস্বাদু পানীয়টিও প্রোটিনের একটি গুরুত্বপূর্ণ উত্স, কারণ প্রতি নিয়মিত গ্লাস দুধে প্রায় 8g প্রোটিন থাকে, যা পেশী টিস্যুগুলি তৈরি এবং মেরামত করতে সহায়তা করে। আমার কত দুধ পান করা উচিত?
একইভাবে, প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য, দিনে দুটি পূর্ণ গ্লাস দুধ - একবার সকালে এবং একবার বিছানার আগে - পর্যাপ্ত পরিমাণে পুষ্টি সরবরাহ করবে।
অবশ্যই, শিশুদের নিয়মিত দুধ খাওয়ার প্রয়োজন কারণ এটি তাদের পুষ্টির একমাত্র উত্স, এটি মায়ের দুধ বা সূত্রের দুধই হোক। 12 বছরের কম বয়সী শিশুদের জন্য, ভাল ক্যালসিয়াম, ভিটামিন এবং প্রোটিন গ্রহণের জন্য দিনে দু'বার 250 মিলিগ্রাম দুধের পরিমাণ পর্যাপ্ত হওয়া উচিত। দুধ পান করা কি আমাকে মোটা করে তুলবে?
দুধ কেনার সময় আমার কী সন্ধান করা উচিত?
দুধ সম্পর্কে একটি বিশাল ভুল ধারণাটি হ'ল তারা যদি নিয়মিত দুধ পান করেন তবে ওজন বাড়বে। একদিনে ওজন পরিচালনা আপনার মোট ক্যালোরি গ্রহণের পরিমাণ হ্রাস পাওয়ায় এটি অসত্য। আপনি যদি নিজের ওজনটি পর্যবেক্ষণ করেন তবে আপনি কম ফ্যাট বা স্কিম মিল্ক গ্রহণ করতে বেছে নিতে পারেন, যার পরিমাণ কম ফ্যাট। দুধের কার্টনে সর্বদা খাদ্য পুষ্টির লেবেলগুলি পড়া ভাল ধারণা।
ভিটামিন ডি 3 আমাদের দেহে ক্যালসিয়াম অ্যাব-সর্পশনকে বাড়ানোর জন্য বিশেষত প্রয়োজনীয় এবং ক্যালসিয়ামের সাথে একত্রে নেওয়া উচিত .
নিয়মিত দুধের তুলনায় এখন দুধে আরও বেশি প্রোটিন, বেশি ক্যালসিয়াম, কম ফ্যাট এবং কম ল্যাকটোজ রয়েছে, এবং ভিটামিন এ, বি 1, বি 3, বি 6, বি 12, সি, ডি 3 এবং ই এর মতো প্রয়োজনীয় ভিটামিনগুলির সাথেও সুরক্ষিত রয়েছে ফলিক অ্যাসিড হিসাবে

Monday, December 28, 2020

 সাম্প্রতিক একটি গবেষণায় আরও পাওয়া গেছে যে কাঁচা ফল এবং শাকসব্জি পাশাপাশি ভাল ঘুম এবং ব্যায়াম মানসিক সুস্থতার জন্য তিনটি প্রধান স্তম্ভ। মনোবিজ্ঞান ফ্রন্টিয়ার্স জার্নালে প্রকাশিত, অনুসন্ধানে বলা হয়েছে, "ভাল মানের ঘুম পাওয়া, অনুশীলন করা এবং আরও কাঁচা ফল এবং শাকসব্জি খাওয়া তরুণ বয়স্কদের মধ্যে আরও ভাল মানসিক স্বাস্থ্য এবং সুস্থতার পূর্বাভাস দেয়" "


গবেষণাটি ওটাগো বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা করেছিলেন, যারা ১১০০ এরও বেশি তরুণ প্রাপ্তবয়স্কদের সমীক্ষা করেছিলেন। গবেষণার জন্য ডায়েট প্যাটার্ন, ঘুমের ধরণ, মানসিক স্বাস্থ্য এবং অংশগ্রহণকারীদের শারীরিক কার্যকলাপের পরিমাণ বিবেচনা করা হয়েছিল considered এটি দেখা গেছে যে লোকেরা প্রতিদিন কাঁচা ফল এবং শাকসব্জি ৪.৮ পরিবেশন করত তাদের মানসিক স্বাস্থ্য ভাল ছিল। তবে যেগুলি 2 টি পরিবেশনার চেয়ে কম পরিবেশন করেছে এবং 8 টিরও বেশি পরিবেশনার বিপরীত প্রতিক্রিয়া ছিল। ভাল পরিমাণে ঘুম এবং পর্যাপ্ত শারীরিক ক্রিয়াকলাপ অংশগ্রহণকারীদের মানসিক স্বাস্থ্যের উপরও ইতিবাচক প্রভাব দেখিয়েছিল। "ঘুম, শারীরিক ক্রিয়াকলাপ এবং একটি স্বাস্থ্যকর ডায়েট স্বাস্থ্যের তিনটি স্তম্ভ হিসাবে বিবেচনা করা যেতে পারে, যা তরুণ প্রাপ্তবয়স্কদের মধ্যে সর্বাধিক কল্যাণকে উত্সাহিত করতে ভূমিকা রাখতে পারে, এমন একটি জনগোষ্ঠী যেখানে মানসিক ব্যাধিগুলির প্রবণতা উচ্চতর এবং কল্যাণকামী হ'ল সাবমোটিমাল, "শীর্ষস্থানীয় লেখক শ্যা-রুবি উইকহাম জানিয়েছেন। উপরের বিষয়গুলি বিবেচনা করে আমরা বলি, একটি সুস্থ মন এবং শরীর বজায় রাখতে আপনার প্রতিদিনের ডায়েটে ভাল পরিমাণে কাঁচা ফল এবং সালাদ অন্তর্ভুক্ত করুন।

Sunday, November 8, 2020

 You can spend 2 taka and get a lot of benefits... 


আকারে ছোট আর স্বাদে টক কিন্তু গুণে অনন্য লেবু।

সাধারণত খাবারের স্বাদ বাড়াতে এবং শরবত তৈরি করতে লেবু ব্যবহার করি। কিন্তু এর উপকারিতা এখানেই শেষ না। লেবুতে আছে ভিটামিন সি এবং খনিজ উপাদান যা আমাদের হৃদযন্ত্রের ধড়ফড়ানি কমানো থেকে ফুসফুসকে ঠিকভাবে কাজ করতে সাহায্য করে। আর সকাল সকাল লেবু পানি নিয়মিত পান করলে আপনাদের দেহ পায় জাদুকরী উপকারিতা।
১০০ গ্রাম লেবুতে রয়েছেঃ
১.১০ গ্রাম প্রোটিন, ৯.৩২ গ্রাম কার্বোহাইড্রেট, ৪৮ ক্যালোরি শক্তি, ০৫ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম, ০.৭ মিলিগ্রাম লোহা, ১১ মাইক্রো গ্রাম ফোলিয়েট সহ আরও নানা উপকারি উপাদানে সমৃদ্ধ লেবু৷
লেবুতে রয়েছে উচ্চ মাত্রার ভিটামিন সি যা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা (Immunity Power) বাড়িয়ে তোলে, এবং সর্দি-কাশি-ঠাণ্ডা লাগার হাত থেকে রক্ষা করে৷
লেবুতে থাকা এন্টি অক্সিডেন্ট ক্যান্সারের ঝুঁকি হ্রাস করতে ভূমিকা রাখে।





Monday, October 26, 2020

 


সর্দিজ্বর হলে বা ঠান্ডা লাগলে কি করবেন?
ঠান্ডা বা জ্বর থেকে মুক্তি পাবার কৌশল আসলে জানা নেই কারো, যদিও এসব থেকে উপশমের অনেক ব্যবস্থাই জানে অনেকে।
তাই বলে সেসব উপায় যে কাজে আসবেই এমনটাও বলা যায় না।
আর কোন ব্যবস্থা কোন ধরনের সমস্যায় ব্যবহার করা হবে তার ওপরও অনেককিছুই নির্ভর করে।
ঠান্ডা এবং ভাইরাসের কারণে হয়ে থাকা জ্বর ইনফ্লুয়েঞ্জা যা ফ্লু নামেই বেশি পরিচিত, এসবের লক্ষণগুলি একইরকম হয়ে থাকলেও এগুলো আসলে ভিন্ন অসুখ।
ঠান্ডা লাগলে আপনি হয়তো খুব অসুস্থ বোধ করবেন। কিন্তু ফ্লু আরো বেশি পরিমাণে আপনাকে অসুস্থ করে দেবে এমনকি শয্যাশায়ীও হয়ে পরতে পারেন।
তবে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে একরকম জ্বর দিয়ে শুরু হয় এসব রোগ আর যখন শেষ হয় তখন আপনি হয়ে যান বেশ কাহিল।
জ্বর বা ঠান্ডায় খাবেন কতটুকু?
এ বিষয়ে বহু আগে থেকেই মানুষের নানা মত রয়েছে। তবে কার্ডিফে কমন কোল্ড সেন্টার-এর বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন যে, জ্বর হলে বেশিরভাগেরই খাবার আগ্রহ কমে যায়।
তাই তাদের পরামর্শ যে, এরকম সময় নিজের শক্তি বাঁচিয়ে রাখতে কিছু স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়াই ভালো। তবে ক্ষুধা বেশি না পেলে একেবারেই জোর করা উচিৎ নয়।
জবরদস্ত সৈনিকের মতো নাকি শয্যাশায়ী?
বলা হচ্ছে, নিজের শরীরের মতি গতি অনুযায়ী চলতে। জোর খাটিয়ে কাজ না করে বরং কিছু বিশ্রাম নেয়া ভালো।
যতটা ক্লান্তি বোধ হয়, ততখানি বিশ্রাম নেয়াই ভালো।
অবশ্য সামান্য ঠান্ডা আপনাকে হয়তো বাইরে যাওয়া কিংবা কাজ থেকে বিরত রাখতে পারবে না!
honey and lemon drink
লেবু আর মধু নাকি গরম জলে সামান্য মদ?
যদিও এটি পুরোপুরি প্রমাণিত নয়, তবু বলাই যায় যে হুইস্কির চেয়ে অনেক বেশি কার্যকর গরম পানিতে লেবুর রস ও মধুর মিশ্রণ।
ডাক্তাররা প্রচুর পানীয় পানের সুপারিশ করেন, বিশেষ করে পানি এবং সাথে কিছু পরিমাণ চা বা কফি।
যখন আপনার ঠান্ডা লাগে বা ফ্লু হয় তখন অনেক বেশি হাঁচি, কাশি এবং ঘাম হতে থাকে স্বাভাবিক সময়ের চাইতে।
আর এতে করে শরীর কিছুটা পানি শূণ্যও হয়ে পরে। আর তাই ঘাটতি পূরণের কথা বলা হচ্ছে।
তবে, কখনোই মাত্রাতিরিক্ত নয়। বহু গবেষণায় দেখা গেছে যে অতিরিক্ত পানি পান বিপজ্জনক হতে পারে এমনকি মৃত্যুও হতে পারে।
প্যারাসিটামল নাকি আইবুপ্রোফেন?
দুটোই কার্যকর। এমনকি প্রয়োজনে প্যারাসিটামল এবং আইবুপ্রোফেন দু'টোই একসাথে ব্যবহার করা যেতে পারে লক্ষণ বুঝে।
তবে অবশ্যই মাত্রাতিরিক্ত ওষুধ গ্রহণ থেকে বিরত থাকতে হবে। আর আইবুপ্রোফেন খাওয়া উচিৎ ভরা পেটে।
ইউক্যালিপটাস তেল নাকি মেনথল?
তেমন কোনো শক্ত প্রমান নেই যে এগুলো ঠিক ঠাক কাজ করে। তবে এসব ব্যবহারে কিছু সাময়িক উপশম মেলে। বুকে ঘষে কিংবা ফুটন্ত পানিতে দু-এক ফোঁটা দিয়ে তার বাষ্প টানলে নাক পরিষ্কার হয়।
ভিটামিন সি এবং জিঙ্ক?
শ্বাসতন্ত্রের সংক্রমণে ১৯৩০ এর দশকে ভিটামিন সি ছিল সবচেয়ে প্রচলিত চিকিৎসা। এটি সত্তরের দশকে এসে আরো বেশি জনপ্রিয় হয় যখন নোবেল বিজয়ী লিনাস পোলিং গবেষণা করে প্রমাণ করেন যে ভিটামিন সি ঠান্ডাজনিত রোগ উপশমে অনেকবেশি কার্যকর।
তবে সম্প্রতি ককরেন গ্রুপের গবেষণায় দেখা গেছে যে, ঠান্ডা থেকে মুক্তিতে ভিটামিন সি'র ভূমিকা খুব বেশি নয়। এটি শরীরের জন্যে ক্ষতিকর নয় এবং প্রয়োজনের অতিরিক্ত ভিটামিন সি শরীর থেকে মুত্রের সাথে বেড়িয়ে যায়।
তবে জিঙ্ক ক্ষতিকর হয়ে দাড়াতে পারে যদি মাত্রা ছাড়িয়ে যায়। সুতরাং সেক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে চলাই ভালো।
অ্যান্টিবায়োটিক?
বহু প্রচারণা চলছে কোন ক্ষেত্রে অ্যান্টিবায়োটিকের ব্যবহার করা উচিৎ আর কোন ক্ষেত্রে নয়।
ঠান্ডা এবং ফ্লু ভাইরাস জনিত রোগ, আর অ্যান্টিবায়োটিক ভাইরাসের বিরুদ্ধে অকার্যকর। আর তাই এসব ক্ষেত্রে অ্যান্টিবায়োটিক একেবারেই ব্যবহার করা উচিৎ নয়।

Thursday, October 22, 2020

 Well come to Asma Health Care Centre. It is a health care related business site. You may visited our web site for choosing our products, survives and useful tips which can help your life style.  




WELLCOME TO MY BLOGE CHANNEL

  WELL COME TO MY BLOG CHANNEL